• Friday, 27 January 2023

‘নির্বাচনই পাকিস্তানের এগিয়ে যাওয়ার উপায়’ বললেন ইমরান খান

‘নির্বাচনই পাকিস্তানের এগিয়ে যাওয়ার উপায়’ বললেন ইমরান খান

অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনই হচ্ছে এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সংকট সমাধানের একমাত্র উপায়। তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের চেয়ারম্যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আজ ১৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এ মন্তব্য করেছেন।

পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিণ্ডিতে লংমার্চ কর্মসূচিতে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে ভিডিও ভাষণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এসব কথা বলেন।

পিটিআই ঘোষিত ‘হাকিকি আজাদি’ লংমার্চ কর্মসূচি আবারও পুণরায় শুরু হয়েছে।

ইমরান গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে কয়েক দিন বিরতি দিয়ে আবারও চলছে এই কর্মসূচি। এখনো এতে সশরীরে যোগ দেননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। লংমার্চের গত কয়েক দিনে ভিডিওর মাধ্যমেই বক্তব্য দিচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

নির্বাচনে দলের সাফল্যের কথা তুলে ধরে সেনাবাহিনীকে ইঙ্গিত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, ‘এস্টাবলিশমেন্ট (সেনাবাহিনী) সরকারের সঙ্গে থাকা সত্ত্বেও পিটিআই ৭০ শতাংশ মানুষের সমর্থন পেয়েছে নির্বাচনে। দেশের মানুষ চাপিয়ে দেওয়া নেতৃত্ব মানবে না।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এর বক্তব্যের একটি বড় অংশ ছিল দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে। এ সময় তিনি (ইমরান খান) বলেন, ‘বর্তমানে পাকিস্তান রেকর্ড মাত্রার মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের সেই দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত। কিন্তু এর পরিবর্তে এই সরকারের লোকজন নিজেদের দুর্নীতির অপরাধগুলো ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত।’

পাকিস্তান মুসলিম লিগ (পিএমএল) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতৃত্বাধীন জোট গত এপ্রিলে ইমরান খানকে অনাস্থা ভোটে হারানোর পর থেকে তিনি এই সরকারের কথিত দুর্নীতির অভিযোগে সরব রয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশটিতে নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ করা একটি বড় ইস্যু। চলতি এ মাসের শেষ দিকে বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার মেয়াদ শেষ হবে।

সেনাপ্রধান নিয়োগ ব্যাপারে ইমরান খান বলেন, ‘বর্তমান সরকার সেনাপ্রধান নিয়োগ করতে সেনা আইন পরিবর্তন করতে চাইছে। নিজেদের রক্ষা করতেই তারা এটি করছে।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেন, ‘এখনকার শাসকরা দেশ থেকে পালাতে পারেন। এসব নেতা দেশের জন্য কিছুই করছেন না, করছেন নিজেদের জন্য। ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগগুলো নষ্ট করে দেওয়া। তারা কোনো পেশাদার সেনাপ্রধান নিয়োগ করবে না। কারণ তারা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে।’

ভিডিও মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাঁর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় চলমান তদন্তকাজ নিয়েও কথা বলেন। তিনি (ইমরান) বলেন, ‘এ ঘটনার তদন্ত শুধু প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়ালের নেতৃত্বেই হতে পারে।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আরও দাবি করেন, ‘তাঁর ওপর আক্রমণের ঘটনায় একজনকে আটক করা নিছক প্রতারণা। ওয়াজিরাবাদে ঘটনাস্থলে আরো একজন বন্দুকধারী ছিল।’ -সূত্র : ডন, জিওনিউজ

comment / reply_from

related_post